শিখে নিন, না ঘষে মিনিটেই শিং মাছ পরিষ্কার করার দারুণ কৌশল!

শিং মাছ খেতে খুবই সুস্বাদু। তবে শিং মাছ ঘষে ঘষে পরিষ্কার করার ঝামেলার জন্য অনেকেই তা খেতে চান না। তাইতো সুস্বাদু এই মাছের স্বাদ থেকে অনেকেই বঞ্চিত হয়। তাছাড়া শিং মাছ ঘষে ঘষে পরিষ্কার করাটাও অনেক ক'ষ্টের।

তবে একটি কৌশল খুব সহ'জেই আপনাকে এই ক'ষ্ট থেকে মুক্তি দিতে পারে। তাও কোনো রকম ঝামেলা ছাড়াই। কি অ'বাক হচ্ছেন? অ'বাক হলেও সত্যি, এমন একটি কৌশল রয়েছে যা আপনাকে কোনো রকম ঘষা ছাড়াই শিং মাছ পরিষ্কার করতে সহায়তা করবে। দেরি না করে চলুন জেনে নেয়া যাক সেই কৌশলটি-

শিং মাছ পরিষ্কারের জন্য আপনার প্রয়োজন হবে পেপে পাতা। পেপে পাতা কুচি করে কে'টে নিন। সব থেকে ভালো হবে যদি আপনি পেপে পাতা ব্লেন্ড করে নিতে পারেন। এবারএই মিশ্রণটি মাছের মধ্যে দিয়ে ৫ থেকে ৭ মিনিট রেখে দিন। ৫ থেকে ৭ মিনিট পর পানি দিয়ে ভালো করে ধুয়ে নিলেই দেখবেন শিং মাছ একদম সাদা হয়ে গেছে। তাও কোনো রকম ঘসাঘষি ছাড়াই।মা'র্চের শেষের দিকে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের ওপর দিয়ে মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের তাপপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর। চলতি মাসে কালবৈশাখী ও শিলাবৃষ্টি হতে পারে বলেও পূর্বাভাস দিয়েছে অধিদপ্তর। দীর্ঘমেয়াদি পূর্বাভাস দিতে আবহাওয়া অধিদপ্তরের গঠিত বিশেষজ্ঞ কমিটি এ পূর্বাভাস দিয়েছে।

বুধবার (২ মা'র্চ) আবহাওয়া অধিদপ্তরের ঢাকার ঝড় সতর্কী'করণ কেন্দ্রে ও ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে কমিটির নিয়মিত বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। অধিদপ্তরের পরিচালক (চলতি দায়িত্ব) ও বিশেষজ্ঞ কমিটির চেয়ারম্যান মো. আজিজুর রহমান এতে সভাপতিত্ব করেন।বিশেষজ্ঞ কমিটির চলতি মাসের পূর্বাভাস প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, মা'র্চ মাসে সামগ্রিকভাবে দেশে স্বাভাবিক বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা আছে। এ মাসে দেশের উত্তর, উত্তর-পশ্চিম ও মধ্যাঞ্চলে এক থেকে দুদিন বজ্র ও শিলাবৃষ্টিসহ মাঝারি বা তীব্র কালবৈশাখী ঝড় হতে পারে। দেশের অন্যান্য অঞ্চলে দু-তিনদিন বজ্র ও শিলাবৃষ্টিসহ হালকা বা মাঝারি ধরনের কালবৈশাখী হতে পারে।

এ মাসের শেষের দিকে দেশের পশ্চিম ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ওপর দিয়ে এক থেকে দুটি মৃদু (৩৬-৩৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস) বা মাঝারি (৩৮-৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস) ধরনের তাপপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে। এ মাসে দিনের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে সামান্য বেশি এবং রাতের তাপমাত্রা স্বাভাবিক থাকতে পারে বলেও জানানো হয়েছে দীর্ঘমেয়াদি পূর্বাভাস প্রতিবেদনে।এতে আরও বলা হয়, মা'র্চ মাসে দেশের সব প্রধান নদ-নদীর স্বাভাবিক পানি প্রবাহ বিরাজমান থাকতে পারে।

বিশেষজ্ঞ কমিটির চেয়ারম্যান আজিজুর রহমান জানান, সদ্য শেষ হওয়া ফেব্রুয়ারি মাসে সারাদেশে স্বাভাবিকের চেয়ে ৫৩ শতাংশ বেশি বৃষ্টিপাত হয়েছে। এরমধ্যে ঢাকা, রাজশাহী, রংপুর ও খুলনা বিভাগে স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি এবং ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগে স্বাভাবিকের চেয়ে কম বৃষ্টি হয়েছে।পশ্চিমা লঘুচাপের সঙ্গে পূবালী বায়ুপ্রবাহের সংযোগ ঘটায় ৩-৫, ২০-২১ ও ২৪-২৫ ফেব্রুয়ারি দেশের অনেক স্থানে হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হয়। এসময় সর্বোচ্চ ৬৯ মিলিমিটার বৃষ্টি খুলনায় (৪ ফেব্রুয়ারি) রেকর্ড করা হয়।

উপ-মহাদেশীয় উচ্চচাপ বলয়ের বর্ধিতাংশ বাংলাদেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চল পর্যন্ত বিস্তার লাভ করায় ১-২ ও ৬-৮ ফেব্রুয়ারি রংপুর, রাজশাহী ও খুলনা বিভাগের কিছু কিছু স্থানে মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যায় বলেও জানান আবহাওয়া অধিদপ্তরের পরিচালক।ফেব্রুয়ারিতে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৬ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস তেঁতুলিয়ায় (৬ ফেব্রুয়ারি) রেকর্ড করা হয়। এ মাসে ভোররাত থেকে সকাল পর্যন্ত দেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চল ও নদী অববাহিকায় হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।এ মাসে দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে ১ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস কম এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে ১ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস কম ছিল বলেও জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

Back to top button

You cannot copy content of this page