১৩তম গ্রেডের সব বকেয়াই পাবেন প্রাথমিক শিক্ষকরা

প্রাথমিক সহকারি শিক্ষকদের ১৩তম গ্রেডের বেতন-বোনাসসহ সব বকেয়াই ফিরিয়ে দেয়া হবে বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আলমগীর মু. মনসুরুল আলম। মঙ্গলবার বাংলাদেশ জার্নালকে তিনি এ কথা বলেন।

এর আগে রোববার বাংলাদেশ জার্নালে বেতন-বোনাসেও শিক্ষক অসন্তোষ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশিত হয়। সেখানে একাধিক শিক্ষক একেক গ্রেডে বেতন ও বোনাস উত্তোলন করেছেন বলে বাংলাদেশ জার্নালের কাছে অ'ভিযোগ করেন। এরপর ডিপিই ডিজি সহকারী শিক্ষকদের বেতন-বোনাসের বকেয়া ফিরিয়ে দেয়ার আশ্বা'স দিয়েছেন।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আলমগীর মুহম্ম'দ মনসুরুল আলম বলেন, ১৩তম গ্রেড অনুযায়ী বেতন ফিক্সেশন না হওয়ার কারণে বেতন ও বাড়ি ভাড়ার যেটুকু কম পেয়েছেন তা বকেয়া হিসেবে পাবেন শিক্ষকরা। আর আসন্ন ঈদের বোনাস যারা কম উত্তোলন করেছেন তারাও বোনাসের বাকি অংশ পাবেন।

এ বিষয়ে প্রাথমিক সহকারি শিক্ষক সমিতির সভাপতি মো. শামছুদ্দিন মাসুদ বাংলাদেশ জার্নালকে জানিয়েছিলেন, ১৩তম গ্রেড বাস্তবায়ন না হওয়ায় শিক্ষকরা এরই মধ্যে তিনটি ঈদ বোনাস ও দুটি উৎসব ভাতা থেকে বঞ্চিত হয়েছেন। তিনি জানিয়েছিলেন, বকেয়া বেতন দেয়া হলেও সরকার শিক্ষকদের বোনাস দেকে না। তবে ডিজির আশ্বা'সে এখন শিক্ষকরা সন্তুষ্ট বলে জানান তিনি।

এর আগে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছিলো, শুধুমাত্র বেতন গ্রেড পার্থক্যের জন্যই প্রাথমিকের শিক্ষকরা ৫২ কোটি টাকার উৎসবভাতা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। মূলত শিক্ষকদের বেতন নির্ধারণের সরকারি সফটওয়্যার ‘আইবাস প্লাস প্লাস’-এ ফিক্সেশন না হওয়ায় শিক্ষকরা বেতন ও বিভিন্ন ভাতা মিলিয়ে বর্তমানে প্রতি মাসে প্রায় ২ থেকে ৩ হাজার টাকা কম পাচ্ছেন। আসছে ঈদুল ফিতরে সারাদেশের প্রায় সাড়ে তিন লাখ শিক্ষকের প্রত্যেকে এক হাজার ৩০০ টাকা করে উৎসব ভাতা কম পাবেন।

২০২০ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় ১৩ গ্রেডে বেতন নির্ধারণের আদেশ জারি করে সরকার। এর এক বছর পার হলেও দেশের সব উপজে'লায় এখনো শিক্ষকদের ১৩তম বেতন গ্রেড বাস্তবায়ন হয়নি।তবে আগামী ১০ মের মধ্যে আইবাস প্লাস প্লাস-এ বেতন ফিক্সেশনের জন্য মাঠপর্যায়ে কঠোর নির্দেশনা দিয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর।

Back to top button

You cannot copy content of this page