তার মৃ'ত্যুতে ক'ষ্ট পেয়েছে আল-আকসার পশু-পাখিরাও

ইস'রাইল অধিকৃত জেরুসালেমের ফিলি'স্তিনি বাসিন্দারা এক বৃদ্ধের মৃ'ত্যুতে শোকাচ্ছন্ন হয়ে পড়েছেন। ম'সজিদ আল-আকসার ‘আবু হুরাই'রা’ (বিড়াল দলের বাবা) হিসেবে পরিচিত ৭১ বছর বয়সী এই বৃদ্ধ গত মঙ্গলবার করো'নাভাই'রাস সংক্রমণে ই'ন্তেকাল করেন।

গাসসান ইউনুস আবু আই'মান প্রায় তিন দশক আল-আকসা ম'সজিদের আঙিনায় জমা হওয়া বিড়াল ও পাখিদের খাইয়ে আসছিলেন। এর জন্য প্রতিদিন হাইফা জে'লার আরা গ্রামের নিজের বাড়ি থেকে এক শ’ কিলোমিটারের বেশি পথ পাড়ি দিয়ে জেরুসালেমের আল-আকসায় আসতেন তিনি। কখনো তিনি নিজে যেতে না পারলে, নিজের বন্ধু ও স্বজনদের পাঠাতেন আল-আকসার আঙিনায় বিড়াল ও পাখিদের খাওয়াতে।

আল-আকসা ম'সজিদের বিড়ালদের খাবার দেয়া ও যত্ন নেয়ার কারণে তিনি জেরুসালেমের বাসিন্দাদের কাছে আল-আকসার ‘আবু হুরাই'রা’ হিসেবে পরিচিতি পান। গাসসান ২০১৬ সালে আলজাজিরার কাছে দেয়া এক সাক্ষাতকারে বলেন, ‘আমা'র চলার সময় সবদিক থেকেই সব বিড়ালকে আমা'র কাছে আসতে দেখি। তারা আমা'র সাথেই চলতে থাকে যতক্ষণ না আমি কুব্বাতুস সাখারার (ডোম অব রক) আঙিনায় পৌঁছাই।’

অ'পর এক সাক্ষাতকারে তিনি বলেন, ‘আল্লাহ আমাকে এই দায়িত্বের সম্মান দিয়েছেন…বিড়ালগুলো আমাকে ভালোই চেনে এবং আমি তাদের সাথে খুবই ঘনিষ্ঠ।’জেরুসালেমের বাসিন্দা ও অন্য ফিলি'স্তিনিরা গাসসানের মৃ'ত্যুতে শোকাচ্ছন্ন হয়ে পড়েছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেকেই শোক প্রকাশ করেন ও গাসসানের সাথে তাদের স্মৃ'তি তুলে ধরেন।

মা'রওয়া হাসিন নামে একজন তার টুইট বার্তায় লিখেন, ‘কিয়ামতের দিন আল-আকসার পাখি ও বিড়াল এমনকি মানুষও সাক্ষ্য দেবে আপনি কী' করেছিলেন।’ আলিয়া তিমা নামে অ'পর একজন টুইটারে গাসসানের আল-আকসা ম'সজিদ প্রাঙ্গনে শি'শুদের গণনা শেখানোর এক ভিডিও প্রকাশ করেন।

রিদওয়ান ওম'র নামে জেরুসালেমের বাসিন্দা অ'পর এক ফিলি'স্তিনি গাসসানের বিভিন্ন ছবি সংযু'ক্ত করে একটি শোকবার্তা পোস্ট করেন। এতে তিনি লিখেন, ‘আজকে সবাই আপনার জন্য কাঁদছে। শি'শু, পাখি, পাথর, (আল-আকসার) আঙিনা, সবাই। যারাই আপনাকে চিনতো, আপনাকে ভালোবাসতো।’ সূত্র : মিডল ইস্ট মনিটর, মিডল ইস্ট আই

Back to top button

You cannot copy content of this page