কাতার থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার চায় জাতিসংঘ

কাতারের ওপর সৌদি নেতৃত্বাধীন কয়েকটি দেশের আরোপিত নিষেধাজ্ঞা অবিলম্বে প্রত্যাহার করে নেয়ার দাবি জানিয়েছেন জাতিসংঘ। সৌদি আরবের নেতৃত্বে সংযু'ক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন এবং মিসর কয়েক বছর ধরে এই নিষেধাজ্ঞা জারি রেখেছে। আলজাজিরা।

সম্প্রতি জাতিসংঘের বিশেষজ্ঞ অ্যালেনা ডুহান এক প্রতিবেদনে লিখেছেন, আঞ্চলিক ঝামেলার জেরে কাতারের বি'রুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে আমিরাত, মিসর, সৌদি আরব ও বাহরাইন। এই চার দেশ অবশ্য দাবি করে কাতার সন্ত্রাসবাদের সম'র্থক এবং ই'রানের সঙ্গে তাদের স'ম্পর্ক খুবই ঘনিষ্ঠ; যে কারণে কূটনৈতিক ও বাণিজ্যিক স'ম্পর্ক স্থগিত করে দেয়া হয়েছে। কিন্তু জাতিসংঘের এই বিশেষজ্ঞ বলছেন, মানুষের মানবাধিকার হ'রণ করে কোনও সরকারকে শিক্ষা দেয়ার নীতি ঠিক নয়।

অ্যালেনা ডুহান বলেছেন, এভাবে স'ম্পর্কচ্ছেদ করার কোনও যৌক্তিক কারণ নেই। এই নিষেধাজ্ঞার ফলে কাতারের মানুষের মৌলিক অধিকার লঙ্ঘিত হয়েছে। নিষেধাজ্ঞা জারির পরই ওই চারটি দেশ কাতারের সব নাগরিককে নিজেদের দেশ থেকে বহিষ্কার করে। এর ফলে বহিষ্কার হওয়া মানুষেরা শুধু কাজ হারিয়েছেন তাই নয়; বরং তাদের পারিবারিক স'ম্পর্কেও এর প্রভাব পড়েছে। এটি সরাসরি মানবাধিকার লঙ্ঘনের পর্যায়ে পড়ে।

কাতার শুরু থেকেই বলে আসছে, তারা সন্ত্রাসবাদীদের সম'র্থন ও জ'ঙ্গিদের প্রশ্রয় দেয় না। কিন্তু সৌদি নেতৃত্বাধীন দেশগুলো সন্ত্রাসবাদে সম'র্থন এবং অর্থায়নের অ'ভিযোগ এনে কাতারের বি'রুদ্ধে ২০১৭ সালে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে। সেই সময় ওই চার দেশ জানিয়েছিল, কাতার ১০ দফা শর্ত মানলে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়া হবে। কিন্তু কাতার তা মানতে চায়নি।

দাবিগুলোর মধ্যে ছিল, কাতারের সংবাদসংস্থা আলজাজিরাকে বন্ধ করে দিতে হবে। জাতিসংঘের বিশেষজ্ঞের মতে, এই ধরনের দাবি আন্তর্জাতিক আইনের বিরোধী। তার মতে, কাতার সম্প্রতি বেশ কয়েকটি সন্ত্রাসবিরোধী আইনও করেছে।

Back to top button

You cannot copy content of this page