অমু'সলিম'দের দেওয়া খাবার খাওয়া নিয়ে যা বলে ইস'লাম

অন্য ধ'র্মাবলম্বীদের রান্না করা খাবার যেমন, মাছ, তরকারি ইত্যাদি খাওয়া জায়েজ। তবে খাবারটি কোনোভাবেই হারাম হওয়া যাবে না। পাশাপাশি তাতে হারাম কোনো কিছুর সংমিশ্রণ থাকা যাবে না। (তাদের কোনো উপাস্যের জন্ম উৎস্বর্গকৃত হওয়া যাবে না।) রাসুলুল্লাহ (সা.) অমু'সলিম'দের দাওয়াত গ্রহণ করেছেন। তাদের রান্নাকৃত খাবার খেয়েছেন। তাদের দেওয়া উপহারও গ্রহণ করেছেন। (বুখারি, হাদিস: ২৬১৫)

আবু হু'মাইদ আল-সাঈদি (রা.) বলেন, ‘আমি নবী (সা.)-এর সঙ্গে তাবুক যু'দ্ধ করেছি। আয়লা-র বাদশাহ নবী (সা.)-কে সাদা রঙের একটি খচ্চর এবং একটি চাদর উপহার দিয়েছেন। ’ (বুখারি, হাদিস: ২৯৯০) আল-আব্বাস বিন আবদুল মোত্তালিব হুনাইনের দিন স'ম্পর্কে বলেন, ‘রাসুল (সা.) সাদা রঙের একটি খচ্চরের উপর ছিলেন; যে খচ্চরটি ফারওয়া বিন নুফাছা আল-জুযামি তাকে উপহার দিয়েছিলেন।’ (মু'সলিম, হাদিস: ১৭৭৫)

আলী ইবনে আবু তা'লেব (রা.) থেকে বর্ণিত আছে, নবী (সা.)-কে দুমাত-এর (একটি স্থান) উকাইদির (রাজা) একটি রেশমী কাপড় উপহার দিয়েছেন। তখন তিনি সেটা আলী (রা.)-কে দিয়ে বললেন: ‘এটাকে কে'টে খিমা'র (নারীর অবগুণ্ঠন) বানিয়ে ফাতেমাদের দাও। ’ (বুখারি, হাদিস: ২৪৭২; মু'সলিম, হাদিস: ২০৭১)

ই'মাম শারফ আন-নববী বলেন, ‘এ হাদিসে কাফেরের হাদিয়া গ্রহণ বৈধ হওয়ার পক্ষে দলিল রয়েছে। ’ (শারহু মু'সলিম: ১৪/৫০) আনাস বিন মালেক (রা.) থেকে বর্ণিত আছে যে, এক ইহুদি নারী (সা.)-এর কাছে একটি বিষযু'ক্ত ভেড়া নিয়ে আসে। তিনি সে ভেড়া থেকে খেয়েছেন। (বুখারি, হাদিস: ২৪৭৪; মু'সলিম, হাদিস: ২১৯০)

Back to top button

You cannot copy content of this page