সবজির ব্যাগে মিলল মানুষের মা'থা!

একটি সাদামাটা পু'লিশ চেকপোস্টে পু'লিশের তল্লা'শিতে উ'দ্ধার হলো এক নারীর ম'রদেহ। ভা'রতের কলকাতা শহরের পশ্চিম চৌবাগার বাসন্তী এক্সপ্রেসওয়েতে রুটিন তল্লা'শি করতে গিয়ে এই লা'শের খোঁজ পায় পু'লিশ। চালক ট্রাঙ্কের ডালা খুলতেই ট্যাক্সিতে বসা এক ব্যক্তি নেমে এসময় পালানোর চেষ্টা করেন। তবে ততক্ষণে ট্যাক্সির ট্রাঙ্কে এক নারীর মা'থা দেখতে পায় পু'লিশ।

ঘটনাটি ঘটার পরপরই প্রগতি ময়দান থা'নার পু'লিশ ট্যাক্সিচালকসহ তিনজনকে আ'ট'ক করে থা'নায় নিয়ে আসে। জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, ট্যাক্সির যাত্রী মহিলার নাম মলিনা মণ্ডল এবং তার সঙ্গী পুরুষ যাত্রীর নাম অজয় রং। জেরার মুখে প্রথমে অস্বীকার করলেও, পরে মলিনা এবং অজয় স্বীকার করেন, ম'রদেহটি কবরডাঙার বাসিন্দা সুজামনি গায়েনের। মৃ'ত মলিনার বড় মে'য়ের শাশুড়ি। মে'য়ের সঙ্গে তার শাশুড়ির বিবাদের জেরে মলিনা, অজয় এবং মলিনার স্বামী— তিন জন মিলে সুজামনিকে লা'ঠি দিয়ে মে'রে, গলা টিপে খু'ন করেছেন তারা। তার পর ট্যাক্সিতে দেহ তুলে সব্জির বস্তার আড়ালে নিয়ে বাসন্তী এক্সপ্রেসওয়ের ধারে কোথাও দেহটি ফেলে দেওয়ার পরিকল্পনা ছিল। কিন্তু তার আগেই পাকড়াও হয় তারা

জেরায় আরো জানা যায়, সুজামনি কালীঘাটের মন্দিরে ফুল বিক্রি করেন। বৃহস্পতিবারও তিনি ফুল বিক্রি করতে গিয়েছিলেন। সেখানে তার সঙ্গে দেখা করেন মলিনা এবং তার ভাই অজয়। তারা ট্যাক্সিতে করে সুজামনিকে নিয়ে আসেন মলিনার প্রগতি ময়দান থা'না এলাকার আড়ুপোতার বাড়িতে। সেখানেই সুজামনিকে দুপুরের খাওয়ার পর খু'ন করে অজয় এবং মলিনা। তারপর লাউ শাক এবং আরও কিছু সব্জি কেনে তারা। বস্তার মধ্যে সুজামনির দেহ ভরে তার উপর সব্জি এবং শাক চাপা দিয়ে চৌবাদার কাছে খালের লকগেটে ফেলে দেওয়ার পরিকল্পনা করেছিল অ'ভিযু'ক্তরা। প্রাথমিরভাবে পু'লিশের অনুমান জমি সংক্রান্ত কোনও বিবাদের জেরে এই খু'ন।

পু'লিশ সূত্রে জানা যায়, রাস্তায় এর আগেও কয়েকটি চেকপোস্টে আ'ট'কানো হয়েছিল ওই ট্যাক্সিকে। কিন্তু কোনও জায়গাতেই গাড়ির ট্রাঙ্ক খোলা হয়নি বা খুললেও দেহটি চোখে পড়েনি পু'লিশের। এমনকি পরমা আইল্যান্ডের নাকাতেও চালক বা যাত্রীদের আচরণে স'ন্দেহ'জনক কিছু না দেখে ছেড়ে দেওয়া হয়। চৌবাগার ওই নাকা পেরিয়ে গেলে সহ'জেই দেহটি লোপাট করতে পারত ওই তিন জন।

প্রগতি ময়দান থা'নার এক কর্মক'র্তা বলেন, ‘পরমা আইল্যান্ডের নাকা পেরলেও চৌবাগায় ফের পু'লিশ আ'ট'কানোয় অ'ভিযু'ক্তরা স্নায়ুর উপর নিয়ন্ত্রণ রাখতে ব্যর্থ হয়। ফলে এক জন পালানোর চেষ্টা করে।’ অ'ভিযু'ক্তদের জেরা করে হরিদেবপুর থা'নার সঙ্গে যোগাযোগ করে পু'লিশ ইতিমধ্যেই কবরডাঙার ঘটনাস্থল চিহ্নিত করেছে। বিভাগীয় ডিসি গৌরব লাল জানিয়েছেন, মলিনা, অজয়, ট্যাক্সিচালক ছাড়াও, মলিনার স্বামী বাসু মণ্ডলকে পাকড়াও করা হয়েছে।

Back to top button

You cannot copy content of this page