সড়ক উন্নয়নের নামে ব্রিজ ভাঙায় বিপাকে এলাকাবাসী

সড়ক উন্নয়নের নামে সাভা'র উপজে'লার যাতায়াতের প্রধান একটি লোহার ব্রিজ ভেঙে ফেলা হয়েছে। তার ওপর ভেঙে ফেলা ব্রিজের পাশে বিকল্প পথটিও বর্ষার পানিতে তলিয়ে গেছে।

এতে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন এলাকাবাসী। গত কয়েক মাস থেকে সড়কের উন্নয়নের কাজ বন্ধ থাকায় এ দুর্ভোগ। ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের গাফলতির কারণে এ সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে বলে এলাকাবাসীর অ'ভিযোগ।

এলাকাবাসী জানান, দীর্ঘদিনের বেহাল দশা থেকে উত্তরণের জন্য সাভা'রের পৌর এলাকার গেণ্ডা-বনগাঁও সড়কটির উন্নয়ন কাজ শুরু করা হয় গত বছরের নভেম্বর মাসে। তবে করো'না পরিস্থিতির কারণে মাঝ পথে এর কাজ বন্ধ করে দেয় সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান।

এরই মধ্যে উন্নয়ন কাজের স্বার্থে ভেঙে ফেলা হয়েছে সড়কটিতে থাকা সাধাপুর গ্রামের পুরানবাড়ী এলাকার একটি লোহার ব্রিজও। যদিও ব্রিজটি ভেঙে এলাকাবাসীর চলাচলের স্বার্থে মাটি ফেলে একটি বিকল্প রাস্তা তৈরি করা হয়েছে। কিন্তু বর্ষার কারণে সেই পথটিও এখন তলিয়ে গেছে। এতে করে চরম দুর্ভোগের মধ্যে পড়তে হচ্ছে এলাকার বাসিন্দাদের।

সরেজমিন ঘুরে দেখা যায়, সাভা'র পৌরসভা এলাকার ওই সড়কটি দিয়ে সাধাপুর, চাকুলিয়া, নিকরাইলসহ বেশ কয়েকটি গ্রামের হাজার হাজার মানুষ প্রতিদিন যাতায়াত করেন। সড়কটির পুরো অংশ খানাখন্দে ভরে গেছে। অন্যদিকে সড়কের উন্নয়নের জন্য সাধাপুরের কাজীপাড়া এলাকায় উঠিয়ে ফেলা হয়েছে ইটের সলিং। ফলে আগের তুলনায় সড়কটির এখন আরও নাজুক অবস্থা।

সাধাপুর এলাকার বাসিন্দা তপন চন্দ্র ঘোষ বাংলানিউজকে বলেন, একদিকে পুরো সড়কজুড়ে খানাখন্দ। অন্যদিকে ব্রিজ ভেঙে ফেলায় এখন দুই কিলোমিটার পথ ঘুরে কর্মস্থলে যেতে হচ্ছে। শুধু ভোগান্তি নয়, এ যেন ম'রার ওপর খাঁড়ার ঘা।

শুধু তপন চন্দ্র ঘোষ নন, এমন অ'ভিযোগ ওই এলাকার কয়েক হাজার মানুষের।

এ বিষয়ে সাভা'র উপজে'লা প্রকৌশলী সালেহ হাসান প্রমাণিক বাংলানিউজকে বলেন, এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) অর্থায়নে সড়কটির উন্নয়ন কাজ শুরু করা হলেও করো'নার কারণে ফেব্রুয়ারি মাসে সেটি বন্ধ করে দেওয়া হয়। তবে খুব শিগগিরই সড়কটির উন্নয়ন কাজ শুরু করা হবে।

ভেঙে ফেলা ব্রিজের পাশে বিকল্প পথ পানিতে তলিয়ে যাওয়ার বিষয়ে সালেহ হাসান প্রমাণিক বলেন, বিগত কয়েক বছরের তুলনায় এবারের ব'ন্যায় পানির উচ্চতা বেড়ে গেছে। সে কারণে বিকল্প পথটি পানিতে তলিয়ে গেছে। সড়কটির উন্নয়ন কাজ শেষ হলে এলাকাবাসীর দীর্ঘদিনের দুর্ভোগের অবসান হবে।

Back to top button

You cannot copy content of this page