শি'শুদের সহ'জে কোরআন শিক্ষা দিবেন যেভাবে

আম'রা সবসময় তাদেরকে ভ'য় দেখাই, জাহন্নামের হু'মকি দেই অথচ খুব কমই তাদেরকে সাহস যোগাই অথবা ভালো আচরণের জন্য আল্লাহ’র ভালোবাসার কথা, পুরুষ্কারের কথা উল্লেখ করি। এমন পরিবেশে, শি'শুরা আতঙ্কগ্রস্ত ও ভীতু হিসাবে বেড়ে উঠে। ফলে তাদের মধ্যে নেতীবাচক মানসিকতা জন্মায় এবং আত্মবিশ্বা'সের ঘাটতি দেখা দেয় এবং তারা তাদের বিশ্বা'সের প্রতি নিরুৎসাহিত হয়ে পড়ে। শিক্ষকরা সাধারণত কুরআনের শেষ অধ্যায় থেকে (ত্রিশ পারা) শি'শুদের পড়ানো শুরু করে।

সচরাচর মু'সলমানেরা তাদের শি'শুদের ছোটবেলা থেকেই শুধু জাহান্নামের আ'গুনের ভ'য় দেখান কিন্তু আল্লাহর ভালোবাসা, দয়া এবং সমবেদনা অথবা জান্নাতের সৌন্দর্যের কথা সেভাবে তুলে ধরেন না। আম'রা শি'শুদেরকে ভ'য় যতটা জো'র দিয়ে দেখাই যে তারা যদি আল্লাহর অমান্য করে, মা-বাবার কথা নাশুনে, বা পাপ কাজে লিপ্ত হয় তাহলে তাদের দোজখের আ'গুনে জ্বালানো হবে; ততটা তাদেরকে আশাবাদ দেই না যে তারা যদি সৎ কাজ করে, আল্লাহ ও মা-বাবাকে মান্য করে এবং কোনো ভালো কাজ করে তবে তাদেরকে পুরস্কৃত করা হবে।

এই অধ্যায় ছোট ছোট সূরা সম্বলিত যেগুলো ওহী আসার প্রাথমিক পর্যায়ে ম'ক্কায় নাযিল হয়। মূলত কুরাইশ গোত্রের বিপথগামী, অহংকারী এবং অ'ত্যাচারী পৌত্তলিক নেতাদের (আবু জেহেল, আবু লাহাব) উদ্দেশ্যে এই সূরা গুলো নাযিল হয়েছিলো। তাছাড়া যারা মু'সলমানদের অ'ত্যাচার করছিলো, মু'সলমানদের মধ্যে থেকে কয়েকজনকে হ'ত্যা করেছিলো, নবীজী (সাঃ)কে হ'ত্যার পরিকল্পনা করছিলো এবং বিশ্বা'সীদের ধ্বংস করতে যু'দ্ধ বাধিয়ে ছিলো-কুরআন নাযিলের সূচনার অধ্যায়গুলো মুলত তাদের উদ্দেশ্যেই।

Back to top button

You cannot copy content of this page